জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার ইশরাত ফারজানা জানান, মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের সময় হাফিজউদ্দিনের দাখিলকৃত কাগজপত্রে কিছু অসঙ্গতি ও প্রয়োজনীয় তথ্যের ঘাটতি পাওয়া গেছে। তাই তাৎক্ষণিকভাবে তার মনোনয়ন অনুমোদন দেওয়া হয়নি। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে বিষয়টি পুনরায় বিবেচনা করা হবে।
অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোছা. আশা মনির মনোনয়নপত্রে নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না হওয়ায় বৈধতা পাওয়া যায়নি। তবে তিনি আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।
ঠাকুরগাঁও–৩ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান, জাতীয় পার্টির হাফিজউদ্দিন আহম্মদ, জামায়াতে ইসলামীর মিজানুর রহমান, গণঅধিকার পরিষদের মামুনুর রশিদ মামুন, সিপিবির প্রভাত সমীর শাহজাহান আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আল আমিন, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির কমলা কান্ত রায়, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের এস.এম. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির আবুল কালাম আজাদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোছাঃ আশা মনি।
হাফিজউদ্দিন আহম্মদ মুঠোফোনে জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের অঙ্গীকারপত্রের মূল কপি না দিয়ে ফটোকপি জমা দেওয়া হয়েছিল। এজন্য আমার মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা আমাকে জানিয়েছেন, রোববার (৪ জানুয়ারি) বিকেল ৫টার মধ্যে মূল কপি জমা দিলে আমার প্রার্থিতা বৈধ বিবেচিত হবে।
0 মন্তব্যসমূহ