তদন্ত শেষে যে কারণে সতর্ক করা হলো ইংল্যান্ড ক্রিকেটারদের


 



অস্ট্রেলিয়ায় চলমান অ্যাশেজ সিরিজ খেলতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ্যপানের অভিযোগ ওঠে ইংল্যান্ড ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে। দ্রুতই ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ায় ছুটির মেজাজে থাকার কারণে খেলায় ঠিকঠাক মন দিতে পারেননি বেন স্টোকসরা, এমন অভিযোগও সামনে আসে। এসব ঘটনার তদন্ত শেষে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন দলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রব কি। বৃটিশ দৈনিক ডেইলি মেইল জানিয়েছে, রিপোর্টে অতিরিক্ত মদ্যপানের বিষয়টিকে ভিত্তিহীন বলা হয়েছে। তবে একটি কারণে সতর্কও করা হয়েছে ক্রিকেটারদের। 

ডেইলি মেইলের ভাষ্য, রিপোর্টে বলা হয়েছে তদন্তে অতিরিক্ত মদ্যপানের মতো কিছু পাওয়া যায়নি। অ্যাশেজে দ্বিতীয় ও তৃতীয় টেস্টের মাঝে নুসা সমুদ্রসৈকতে ছুটি কাটাতে যায় ইংল্যান্ড দল। সেখানে মদ্যপান করেন ক্রিকেটাররা। তবে তা মাত্রা ছাড়ায়নি। বোর্ডের কোনো নিয়মও ক্রিকেটাররা ভাঙেননি। তাই তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। তবে রিপোর্টে এও উল্লেখ করা হয়েছে যে, অ্যাশেজের মতো সিরিজে যতটা মনসংযোগ রাখা উচিত ছিল, ততটা দেখাতে পারেননি ক্রিকেটারেরা। তাদের মধ্যে অল্প হলেও ছুটির মেজাজ ছিল, যার প্রভাব খেলায় পড়েছে। তাই তাদের সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে ফের এ ধরনের অভিযোগ উঠলে শাস্তি হতে পারে বেন স্টোকসদের।



মেলবোর্নে চতুর্থ টেস্টে নামার আগে রব জানান, সব বিষয় খতিয়ে দেখবেন তিনি। তিনি বলেন, ‘অনেকেই অভিযোগ করছে, নুসায় দলের ক্রিকেটারেরা অতিরিক্ত মদ্যপান করেছে। সেটি হলে তো অন্যায় হয়েছে। একটি জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা কখনওই সিরিজের মাঝখানে অতিরিক্ত মদ্যপান করতে পারে না। তবে এখনও সে রকম কোনও খবর আমি পাইনি।’ তার রিপোর্টও একই কথাই বলল।

দলের ওপেনার বেন ডাকেটের সমালোচনার ঝড় তোলা ভিডিওটি নিয়ে রিপোর্টে আলাদাভাবে কিছু বলা হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, মদ্যপ অবস্থায় টিম হোটেলের রাস্তা মনে করতে পারছেন না ডাকেট। তিনি কোথায় থাকেন সেটি জানতে চাওয়া হলে কোনো উত্তর দিতে পারেননি ইংলিশ তারকা। ভিডিওটি কে বা কারা করেছে, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

অ্যাশেজে প্রথম তিন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দাঁড়াতেই পারেননি সফরকারী ইংল্যান্ড। মেলবোর্নে বক্সিং ডে টেস্টে জিতে (৩-১) ব্যবধান কমায় তারা। এটি ছিল ১৫ বছর ও ১৮ ম্যাচ পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইংল্যান্ডের টেস্ট ম্যাচ জয়। এবারের অ্যাশেজের শেষ ম্যাচটি মাঠে গড়াবে আগামী ৪ঠা জানুয়ারি, সিডনিতে। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ