৭৫ আসন নিয়ে উদ্বিগ্ন বিএনপি
কঠোর সতর্কবার্তা, দল থেকে বহিষ্কার, এমনকি ক্ষমতায় গেলে মূল্যায়নের আশ্বাস ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সরাসরি অনুরোধ—কোনোটিই থামাতে পারেনি দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ। দলীয় সূত্র অনুযায়ী, ৩০০ আসনের মধ্যে অন্তত ৬৩টি আসনে ধানের শীষের প্রার্থীর বিপক্ষে বিদ্রোহী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭৪ জন বিএনপি নেতা-কর্মী।
এর পাশাপাশি জোটগত সমঝোতায় শরিক দলগুলোর জন্য ছেড়ে দেওয়া ১৭টি আসনের চিত্রও বিএনপির জন্য পুরোপুরি স্বস্তিদায়ক নয়। এই আসনগুলোর মধ্যে মাত্র চারটিতে দলীয় প্রার্থীরা তুলনামূলকভাবে নির্ভার অবস্থায় রয়েছেন। বাকি ১৩টি আসনে রয়েছে জটিল সমীকরণ। এর মধ্যে ছয়টি আসনে বিএনপির প্রভাবশালী নেতারা দলীয় প্রতীক ছেড়ে নিজস্ব প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন।
অন্যদিকে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা আটজন প্রার্থীর মধ্যে ছয়জনই বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের তীব্র চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। এছাড়া দুটি আসনে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে বিএনপি ও তাদের শরিক দলের প্রার্থী উভয়েই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। সবকিছু মিলিয়ে অন্তত ৭৫টি আসনে জয়-পরাজয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
