ভোট না দিলে সমস্যা আছে? নির্বাচনি আইনে কী কী বলা আছে জেনে নিন


 




আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে এবার মিলছে টানা চার দিনের ছুটি। নির্বাচন উপলক্ষে ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকছেই, এর আগের দিন ১১ ফেব্রুয়ারিও সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এরপর ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি শুক্র ও শনিবার হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীরা টানা চার দিনের ছুটির সুযোগ পাচ্ছেন। শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ১০ ফেব্রুয়ারি ছুটি থাকায় তারা টানা তিন দিনের ছুটি ভোগ করবেন।



এই দীর্ঘ ছুটি ভোটার উপস্থিতিতে কী প্রভাব ফেলতে পারে—এ নিয়ে আলোচনা চলছে। নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, অনেকে এ সময় ব্যক্তিগত কাজ বা ভ্রমণে সময় দিতে পারেন। নির্বাচন কমিশনের সাবেক কর্মকর্তা জেসমিন টুলি বলেন, ভোট দেওয়া নাগরিক অধিকার হলেও আইনি বাধ্যবাধকতা নয়।



তবে ছুটির মধ্যেও ভ্রমণ পুরোপুরি সহজ নয়। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যানবাহন চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন ছাড়া ভোটের দিন কোনো যান চলাচল করতে পারবে না। ১০ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এছাড়া ভোটের আগের রাত থেকে ভোটের দিন রাত পর্যন্ত পিকআপ, মাইক্রোবাস, ট্রাক ও লঞ্চ চলাচল সীমিত থাকবে।



আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, সাধারণ মানুষের চলাচলে সরাসরি বাধা নেই। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে কিছু এলাকায় বহিরাগতদের প্রবেশে নিয়ন্ত্রণ থাকতে পারে। এদিকে ট্যুর অপারেটররা জানিয়েছে, ভোটের দিন ছাড়া অন্য দিনগুলোতে স্বাভাবিক ভ্রমণ কার্যক্রম চালু থাকবে।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url