ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধ: হাসনাতের তীব্র সমালোচনা


 





ভোটকেন্দ্রের চারশ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত বাস্তবে ভোটারদের জন্য বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে। এই সিদ্ধান্তের অর্থ হলো—ভোট দিতে গেলে সবাইকে নিজের মোবাইল ফোন বাড়িতে রেখে আসতে হবে। এতে শুধু সাধারণ ভোটারই নয়, মোজো সাংবাদিক বা সিটিজেন জার্নালিস্টদের কার্যক্রমও পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য উদ্বেগজনক।





ভোট উপলক্ষে নৌ চলাচলে নিষেধ, জানানো হলো তারিখ




এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা আগে কখনো দেখা যায়নি এবং এর পেছনে যৌক্তিক কোনো ব্যাখ্যাও স্পষ্ট নয়। মোবাইল ফোন না থাকলে জরুরি পরিস্থিতিতে কাউকে জানানো সম্ভব হবে না। নিরাপত্তাজনিত কারণে অনেক ভোটার মোবাইল ছাড়া বাইরে যেতে অনিচ্ছুক, ফলে তারা ভোট দিতেও আগ্রহ হারাতে পারেন। এতে ভোটার উপস্থিতি কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।



নির্বাচন কমিশন সিসিটিভি ক্যামেরার কথা বললেও বাস্তবতা হলো—সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে অনিয়ম বা জালিয়াতি ঠেকাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে না। অন্যদিকে, ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন সাংবাদিক ও নাগরিকদের হাতে থাকলে সঙ্গে সঙ্গে অনিয়মের চিত্র ধারণ ও প্রকাশ করা সম্ভব হয়, যা কেন্দ্র দখল বা ভোট কারচুপি রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।



অনেকে মনে করছেন, সম্ভাব্য অনিয়মের ভিডিও যাতে প্রকাশ না পায়, সে উদ্দেশ্যেই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এমন সিদ্ধান্ত ভোটের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তাই গণতন্ত্রের স্বার্থে অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা জরুরি।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url